Satellite 👉 কৃত্রিম উহগ্রহ
সেই প্রাচীন যুগেই মানুষ যেনে গিয়েছিল চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ। কিন্তু পৃথিবীকেন্দ্রিক মহাবিশ্বের ধারণায় গ্রহ-উপগ্রহের ফারাক করা মুশকিল ছিল।
একটা গ্রহকে কেন্দ্র করে এর চারপাশে যেসকল বস্তু ঘোরে, সেই গুলোই হলো ওই গ্রহের উপগ্রহ। চাঁদ তেমনি পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ। প্রতিটি গ্রহের একটি বহির্মুখী গতিশীল থাকে, চাঁদেরও ব্যতিক্রম নয়। এই গতিশক্তির কারণেই সে পৃথিবী থেকে দূরে মহাকাশে ছুটে যায়। কিন্তু পৃথিবীর মহাকর্ষীয় আকর্ণন তা করতে দেয়না। বরং এই মহাকর্ষণ বল চাঁদকে পৃথিবীর বুকে টেনে আনে। চাঁদের বহির্মুখী বল ও পৃথিবীর মহাকর্ষীয় বল সমান হওয়ায় চাঁদ পৃথিবীর চারপাশে ঘোরে। এটাই হলো প্রতিটা গ্রহ-উপগ্রহের কক্ষপথে ঘোরার রহস্য।
চাঁদতো প্রাকৃতিক ভাবে তৈরি হয়েছে। এখন যদি কৃত্রিম কোন কিছুকে আমরা পৃথিবীর বাহিরে স্থাপন করি। প্রথমে সেগুলোকে একটা গতিশক্তি দিয়ে হবে। রকেটের মাধ্যমে সেই বস্তুকে গতিশক্তি দেওয়া সম্ভব। তারপর ওই বস্তুটাকে এমন গতিশীল করতে হবে যাতে করে ওই বস্তুর গতিজনিত বল ও পৃথিবীর মহাকর্ষীয় বল সমান হয়। এর জন্য প্রয়োজন একটা কক্ষপথ, ওই কক্ষপথে স্থাপন করলে বস্তুটি উপগ্রহের মতো আচরণ করবে। এটিকেই বলা হয়ে থাকে কৃত্রিম উপগ্রহ বা #satellite



